‘আত্রাই রাণীনগরের বর্তমান রাজনীতিতে ইসরাফিল আলম শেষ ভরসা।

মতিউর রহমান মামুনঃ  অনেক দিন আগে একটা সাহিত্য সাময়িকীতে পড়েছিলাম, রবীন্দ্র বিরোধী একটা চক্র বেছে বেছে রবীন্দ্রনাথের কাঁচা বয়সের কিছু লেখা তুলে এনে তা নিয়ে সমালোচনা করে বাংলা সাহিত্যে বিক্ষুব্ধ করেছিলেন। প্রতিত্তোরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন “চলতি ঘোড়ার আকাশের দিকে তোলা দু’পায়ের ছবি থেকে অনুমান করা যায়না তার পা দুটো চিরকাল আকাশেই তোলা ছিল। এরুপ ছবি কেবল আর্টিস্টের তুলিতেই শোভাপায়।
সমালোচনা আরও বৃদ্ধি পেল, এক সময় তা ভারতবর্ষের বাইরেও ছড়িয়ে পরে। তাতে ইউরোপ, আমেরিকাতে রবীন্দ্রনাথের পাঠকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেল, কারণ তাঁদের জিজ্ঞাসা ছিল বাঙালি যুবক রবীন্দ্রনাথের লেখায় কি আছে? কেন তাঁকে নিয়ে ভারতে এত সমালোচনা হচ্ছে? শেষ পর্যন্ত রবীন্দ্রাথ নবেল পেলেন। গল্পটা বলার কারণ বেস কিছুদিন ধরে আত্রাই রাণীনগরের এম.পি ইসরাফিল আলমকে নিয়ে দিবাস্বপ্ন বিলাসী একটা চক্র সত্য মিথ্যা, কাল্পনিক, বানোয়াট, কিছু গল্প বানিয়ে তাদের দলের উচ্চ পদস্থ নেতার কান ভারি করে, ফায়দা লুটানোর ব্যর্থ প্রচেষ্টা করছেন। শুধু তাই নয় যত্র- তত্র সমালোচনাও করছেন। তাদের উদ্দেশ্য ইসরাফিল আলম যেন, নৌকা মার্কার কার্ড না পান, আর আত্রাই রাণীনগর আবার বিএনপি’র হাতে চলে যায়। কারণ তাদের বেশ ভালো করেই জানা আছে ইসরাফিল আলম ব্যাতিত অন্য কেউ নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হতে পারা বরই কঠিন, এবং এ ধরণের নেতার জন্যে অপেক্ষা করতে হবে অনেক দিন। তাদের বুঝতে হবে সমালোচনাতে তারা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। তারা কেন বুঝতে পারছেন না তাদের মতো দু’ পাঁচ জন মানুষের জন্য আওয়ামী লীগের মতো শক্তিশালী সংগঠনের কোন ক্ষতি হবার সম্ভবনা নেই।
বরং তারা যা করছেন তা আত্মঘাতি এবং ফায়দা লুটবে বিএনপি। কারণ বিএনপি বলতে শুরু করছে আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা নাকী রাজাকার পুত্র? যদি এ অপবাদ মিথ্যা হয়ে থাকে তাহলে আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগ তার প্রতিবাদ কেন করছেনা? আর যদি তা হয়ে থাকে তাহলে তাকে বহিস্কারই বা করছেনা কেন? তারা প্রমান পত্র সহকারে এলাকাতে রীতিমত লিফলেট বিতরণ করেছে তার জবাটা কি হবে? আওয়ামী লীগের নিরব ভুমিকার মানেটা কি দ্বাড়ালো তা বোঝার বিষয়।
আজ যারা নিজ দলের এমপি’র বিরুদ্ধে মূখরোচক সমালোচনাতে মেতে উঠেছেন তারা কি ক’বছর আগের আত্রাই রাণীনগরের অতীত ইতিহাস ভুলে গেছেন? ধরে নিলাম স্বার্থের নেশায় ভুলে গেছেন কিন্তু সাধারণ মানুষ কি তা এত তারাতারি ভুলে গেছেন? আপনাদের তো ভুলে গেলে চলবেনা স্বাধীনতা পরর্বতী আত্রাই -রাণীনগরের কোন পেশার, কোন অংশের বা কোন গোষ্ঠির মানুষ কি ভালো বা সুখে ছিলো?
এক সময় ছিলো রাত পোহালেই শুনতে পেয়েছি রক্তেভেজা কান্না, বঞ্চিতের আত্মবিলাপ, খবরের কাগজের শিরোনাম ছিল খুন, আবারও খুন, ছয় ছয় জনকে গলা কেটে হত্যা, নারী ধর্ষণ, নিরব চাঁদাবাজি এমন হাজার খবর। সময় টা ছিল ২০০২ সালের মে মাস, আমরা রবীন্দ্র জন্মবাষিকী পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, হঠাৎ শুনতে পেলাম নৈদিঘী গ্রামে একরাতে ছয় জনকে গোলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো আত্রাই রাণীনগর নারকীয় তান্ডব। একদিকে স্বজন হারানো মানুষের আকুতি অপর দিকে নিরীহ মানুষকে গণগ্রেফতার, শুরু হল নীরব চাঁদাবাজি। আমাদের দাবী ছিল বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে দায়ীদের গ্রেফতার করা। কিন্তু তা আর হলনা বরং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মি গ্রেফতার বেশি হল। তার চেয়ে বড় কষ্টের কথা গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজী। কিন্তু তৎকালীন ক্ষমতাসিন দলের নির্বাচিত এমপি ইচ্ছা করলেই অনেক কিছুর হাত থেকেই আত্রাই রাণীনগরকে মুক্ত করতে পারতেন। কিন্তু তা আর হলনা শুরু হল একটি ঘটনা কে কেন্দ্র করে আরেকটি ঘটনা অশান্ত হল আত্রাই রাণীনগর, ফায়দা লুটলেন ক্ষমতাসিন দলের নেতারা। গোলামীর জিঞ্জিরে অাবদ্ধ সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল অর্থনৈতীক মুক্তি, চলাফেরার অবাধ স্বাধীনতা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যও কথা বলার আধিকার। আমাদের বিশ্বাস ছিলনা আত্রাই রাণীনগের মানুষ কোনদিন এ অবস্থা থেকে মুক্তি পাবে!
২০০৮ এর নির্বচনের ক্ষমতার পালাবদলের পর ইসরাফিল আলম এমপি সাহেবের উপর মানুষ সম্পূর্ণ নির্ভর হয়ে পরে, কেননা মানুষের প্রয়োজন মুক্তি, এলাকার প্রয়োজন ব্যাপক উন্নয়ন আর আওয়ামী লীগের প্রেয়োজন ছিল সাংগঠনিক ভাবে নকশাল ও জেএমবি মুক্ত আত্রাই রানীনগর গঠণ করা। কেননা ইতপূর্ব তাদের দলের লালু, অরুণ, রাজা সহ প্রায় ২৪ জন নেতা কে হত্যা এবং তৎকালিন প্রচার সম্পাদক বাদল সহ শতাধিক নোতাকর্মিকে চিরতরে পঙ্গু করা হয়েছে। তাছাড়া হাজার হাজার পরিরাবের ঘড়বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
গণমানুষের নেতা হিসাবে ইসরাফিল আলম ঝুঁকি নিয়ে বুদ্ধিমত্তার ও বিচক্ষণতার সহিত সাধারণের মুক্তি এনে দিয়েছেন। সর্বহারা, জেএবি’র হাত থেকে মানুষ অনেকটা মুক্ত। হত্যা, চাঁদাবাজী, লুটপাট, নির্যাতনের কবল থেকে মানুষ মুক্ত, আত্রাই রাণীনগরের মানুষ মৌলিক আধিকার ফিরে পেয়েছে। স্বাধীনতার পরর্বতী অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে পড়া আত্রাই রাণীনগরকে এগিয়ে নেওয়ার একটা বড় চ্যালেঞ্জকে অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছেন জননেতা ইসরাফিল আলম।
ক্ষুধামুক্ত সমাজ গঠন, দারিদ্রতা, অশিক্ষা, কুসংস্কার, রাস্তা ঘাট, বিদ্যুৎ, নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী, একাডেমীম ভবন নির্মাণ, পাকা রাস্তা তৈরী, ছোট বড় ব্রিজ নির্মাণ, কৃষি খামার তৈরী ও উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে তিনি অসাম্য অবদান রেখে মধ্যে যুগের আত্রাই রাণীনগরকে একুশ শতকের আধুনিক আত্রাই রাণীনগরে পরিনত করতে সক্ষম হয়েছেন। এসব যুগান্তকরী কাজে নিজকে নিয়োজিত করতে গিয়ে নিজ দলের নেতাকর্মিদের ছোট একটা অংশের সঙ্গে তার মতভেদ দেখা গিয়েছে, তারা চেয়েছিলেন তাদের স্বার্থকে প্রতিষ্ঠিত আর সংসদ সদস্য ব্যক্তি স্বার্থের বাইরে এসে পিছিয়ে পরা আত্রাই রাণীনগরকে এগিয়ে নেওয়ার কাজটা তরান্বিত করেছেন। আত্রাই রাণীনগরের অতিত ইতিহাস পর্যালোচনা করে তাঁর এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া কোন পথ খোলা বলে মনে হয়না। এছাড়া ও মাদক,জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস, খাদ্যে ভেজাল, যৌতুক ও বাল্য বিবাহ ইত্যাদি প্রতিরোধে ইসরাফিল আলম এমপি নিরলস প্রচেষ্টা করে চলেছেন। এ কাজ গুলো করতে গিয়ে অনেক কাছের মানুষকে তিনি ছেড়ে কথা বলেন নি, ফলে তাঁর উপর বিরাগভাজন হয়েছেন। কিছু সেবামুলক প্রতিষ্ঠান করতে গিয়েও তিনি এক শ্রেনীর অশুভদের চক্ষুশুল হয়েছেন।
ইসরাফিল আলম আইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- নর্থ বেঙ্গল স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট রানীনগর, নর্থ বেঙ্গল হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট আত্রাই, ওয়েব অ্যাপ বিডি লিমিটেড রানীনগর, ইসরাফিল আলম আইটি অ্যান্ড পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট আবাদপুকুর, মাদার কেয়ার স্কুল রাণীনগর। কাসিমপুর কৃষি খামার প্রতিষ্ঠা করে কৃষককে মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রদান, এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে একশ্রেনীর অসাধুদের স্বার্থ জড়িত ছিল। এর বাইরেও পতিসরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ কৃষি প্রযুক্তি ইনষ্টিটিউট ও আজিজুর রহমান মেমোরিয়াল স্কুল স্থাপন করে প্রসংশিত হয়েছেন। আমরা যারা ব্যাক্তি সার্থের মধ্যে সিমাবদ্ধ থেকে ইসরাফিল আলমের সমালোচলা করছি তাদের ভেবে দেখা দরকার তাদের নেতা সংঙ্কীর্নতার গন্ডি পেরিয়ে আন্তজাতিক বিশ্বে প্রসংশিত হয়েছেন যা, আমাদের জন্য আনন্দের ও গর্বের।
ভেবে দেখা দরকার তাঁর কাজ কর্ম, আচার- বিচার, জনসাধারণের চাওয়া পাওয়ার প্রতিফলনের সৃষ্টি এবং ক্রমন্বয়ে সজিবেতর হয়েই উঠছে। তাঁর মহান কর্মজজ্ঞ বাতাশেই ভেসে থাকবে হাজার বছর ধরে হয়তো তার ও পরে কিন্তু মাটিতে আছড়ে পরবেনা। তাঁর অকল্পনীয় অমর কিছু সৃষ্টি অশান্ত আত্রাই রাণীনগরের মানুষের কাছে স্বর্গ ছোঁয়ার মত। এই তাঁর অমরতা এই তার সৃষ্টিকর্মের অপূর্ব ডায়ালেটিকস।
আমি আত্রাই রানীনগরের অতিতে ফিরে যেতে চাই, আত্রাই রেল ষ্ট্রোশন, আহসান উল্লা মেমরিয়াল স্কুল, মোল্লা আজাদ মেমরিয়াল কলেজ, আত্রাই পোষ্ট অফিস হাসপাতাল আত্রাইয়ের মোল্লা পরিরারের সৃষ্ট ফসল। মোসলেম মোল্লার পর ৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট থেকে ঐ পরিবারের কৃতি সন্তান মোল্লা আবুল কালাম আজাদ এম, এল, এ নির্বাচিত হয়ে গণমানুষের কাজ নিজকে নিয়োজিত করেন। যতটা জানা গেছে তার সময এই অঞ্চলে কৃষিতে মহামারি দেখা দিয়েছিল, তার উপর কৃষকদের উপর তৎকালীন সরকার নেবি, (উদপাদিত ফসলের উপর কর) নির্ধারণ করা হয়েছিল। মোল্লা আজাদ চিটা যুক্ত মরা ধান গাছের আঁটি হাতে প্রতিবাদ করে বলেছিলেন ‘ আমার কৃষক কর দিতে পারবেনা’ পরে কর মওকুফ করা হয়েছিল। আতছো এই মহান নেতাই (৬৮ সালে) প্রথম আত্রাইয়ের রাজনৈতিক হত্যার শীকার হন। এবং তারপর মোল্লা পরিবার রাজনৈতিক ভাবে অনেকটা ম্লান হয়ে যায়। এর পর আত্রাই রাণীনগরের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচিত প্রথম এম, পি মোহম্মদ বাযতুল্লাহ। তিনি আইনজীবি, রাজনীতিবিদ। ১৯২৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি নওগাঁর শালেবাদ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ ১৯৪৩ সালে পাহাড়পুর উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৪৫ সালে রাজশাহী গভর্নমেন্ট কলেজ থেকে আই.এ এবং ১৯৪৭ সালে একই কলেজ থেকে বি.এ পাশ করেন। ১৯৪৯ সালে তিনি ঢাকা বিশববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম.এ এবং ১৯৫৩ সালে একই বিশববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন।
১৯৫২-৫৩ সালে কীর্ত্তিপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ১৯৫৩-৫৪ সালে চক-আতিকা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। এরপর তিনবছর নওগাঁ বশিরউদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপনা করেন। ১৯৫৭ সালে তিনি নওগাঁ মহকুমা আদালতে আইনব্যবসা শুরু করেন।
মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ ছাত্রজীবনেই রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৪৮ সালে ভাষা আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ে আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং সেই সময়ই বঙ্গবন্ধুর একান্ত ঘনিষ্ঠতা অর্জন করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি নওগাঁ মহকুমা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বাঙালিপুর (মোহতীপুর) যুব ক্যাম্পের ক্যাম্পপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১২ নভেম্বর তিনি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। এই ময়য় টা আত্রাই রাণীনগর, বাগমারা ও পাশ্ববর্তি অঞ্চল নকশাল পন্থিদের নিয়ন্ত্রিত ছিল।
পরে১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়ে পূনরায় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। এরং ঐ বছরের এপ্রিল মাসে তিনি বঙ্গবন্ধু কে এলাকার নকশাল নেতাদের গ্রেফতারের অনুরোধ করেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর অনুরোধে এ অঞ্চলের নকশাল নেতা ভাষা মতিন, আলমগীর কবির গংদের গ্রেফতার করে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। অতছো মুক্তি যুদ্ধ চলা কালিন ঐ নকশাল নোতারাই আত্রাই সোনালী ব্যাংক ডাকাতি, লুটপাট করেছিল, সেই অর্থগুলো কোথায় তা জিজ্ঞাসা থেকে যায়? তাঁরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মহাত্মা গান্ধীর পদচারিত আত্রাইয়ের এম, পি মন্ত্রীও হয়েছেন কিন্তু তাঁদের মহান আঁদশ্যর প্রতি কতটা সন্মান দেখিয়েছেন তা আমাদের জানা। যাহোক বায়তুল্লাহ ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ-সদস্য (বদলগাছী মহাদেবপুর) নির্বাচিত হন। ১৯৮৭ সালের ৯ মার্চ তাঁর মৃত্যুর পর ইসরাফিল আলম আত্রাই রাণীনগরে তাঁদের অসমাপ্ত কাজ ও আদশ্যের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে আধুনিক আত্রাই রাণীনগর গড়ণের কাজে নিজকে নিয়োজিত রেখেছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই।
/ In Uncategorized / By admin / Comments Off on ‘আত্রাই রাণীনগরের বর্তমান রাজনীতিতে ইসরাফিল আলম শেষ ভরসা।