আত্রাই রাণীনগর ইসরাফিল আলমের বিকল্প নেই।

এম মতিউর রহমান মামুনঃ নবাবের মৃত্যুর পর ইংরেজ’রা যখন বুঝলেন বাঙালির মন থেকে  নবার প্রীতি মুছে যায়নি। ইংরেজরা তখন একজন বাঙালি লেখককে ডেকে বললেন নবাবের বিরুদ্ধে মিথ্য গল্প তৈরী করো। আর গল্পটা  লিখবে, নবাব অত্যাচারী ছিল,  মানুষের যুবতী মেয়ে ধরে এসে ধর্ষণ করতো। মেয়ে যদি গর্ভবতী হয় নবাব পেটে লাথি মারতো  এমন আরও কিছু। লেখক যথারীতি গল্পও লিখলেন। তাতেও যখন তেমন কিছু পরিবর্তন হলনা ইংরেজরা লেখককে বললেন এবার নাটক তৈরী করো এবং মঞ্চে বাস্তব  দেখাও নবাব কিভাবে যুবতী মেয়ে কে ধর্ষণ করতো। তুমি নিজে দর্শকের গ্যালারিতে বসে শুনবে দর্শক কি বলে। নাটক মঞ্চায়ণ শুরু হল লেখক দর্শক সারিতে বসে নাটক উপভোগ করছে। সত্যি সত্যিই যখন উন্মুক্ত  মঞ্চের উপর ধর্ষণ দেখাতে লাগলো সাধারণ দর্শক মিথ্যাকে সহ্য করতে না পেরে আবেগে ফেঁটে পরে । পাশে বসে লেখক জানতে চাইলেই আমার লেখা নাটকটি আপনাদের কেমন লাগছে? সঙ্গে সঙ্গে নবাবের নামে মিথ্যা নাটকের রচয়িতাকে জুঁতোপেটা করলেন। ইংরেজদের  বুঝতে বাঁকি রইলনা  বাংলার মানুষের মন থেকে নবাব কে মুছে দেওয়া সম্ভব নয়।
গল্পটা বলার কারণ আত্রাই রাণীনগরে রবীন্দ্রনুরাগী, শিক্ষাবিদ গুণী পারলামেন্ট ইসরাফিল আলমের বিপক্ষে একটি মহল বেশ কষ্ট করে মিথ্যা গল্প তৈরী করলেন, তাতে খুব বেশি ক্ষতি করতে না পেরে গল্প থেকে  নাটক তৈরী করলেন ক’দিন আগে নাটকের মহড়াও করলেন,  এবার মঞ্চায়ণের পালা। দর্শক সাঁরিতে বসে অভিনয় দেখবেন আত্রাই রাণীনগরে একশত চুয়াল্লিশ ওয়ার্ডের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক, ষোল ইউনিয়ন ও দুই উপজেলার আওয়ামী লীগের ত্যাগী, নেতাকর্মি ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাধারণ কিছু কর্মি। ফলাফল দিবেন সাধারণ মানুষ যাঁরা নকশাল, সর্বহারা, জে, এম,বির বহুমাত্রিক নির্যানতের শীকার হয়ে কেবল শান্তিতে ঘুমাচ্ছেন। ক’দিন আগে রাণীনগরে পুকুর দখলকে কেন্দ্র করে যুবলীগ নেতা খুনে হওয়ার পর জানাজা নামাজ নিয়ে  যে ষড়যন্ত্রের সৃষ্টি হয়েছিল নওগাঁ পুলিশের বুদ্ধিমত্তায় বড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেলেন আত্রাই রাণীনগর বাসী। ষড়যন্ত্রের উৎপত্তি  স্থল ঢাকা থেকে নওগাঁ হয়ে প্রয়োগ ক্ষেত্র রাণীনগর বলছিলেন আওয়ামী লীগের বুদ্ধিজিবী কিছু নেতা, আমি তাঁদের কথা গুরুত্ব দি না এই কারণে তাঁরা যদি কিছু অনুমান করতে পেরেই থাকেন তো পুলিশ জানালেন না কেন? তাঁরা না কি তাঁদের প্রিয় নেতা ইসরাফিল আলমকে বার বার বলার চেষ্টা করেছেন কিন্তু  ব্যর্থ হয়েছেন।
ইসরাফিল আলম এম, পি বলেছেন তাঁকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে তা হবে দুঃখ জনক, নিন্দনীয় তো বটেই। কেননা ইতপূর্বে বেশকিছু নেতা রাজনৈতিক লালসার বলি হয়েছে বিধায় বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্ষতিয়ে দেখা দরকার।  মাঠ নেতাকর্মিরা  বিষয়টির প্রতিবাদ মিছিল করতে চেয়েছিলেন কিন্তু এম পি ইসরাফিল আলম তা করতে নিষেধ করেছেন তার জন্য তিনি ধন্যবাদ পাবার যোগ্য। ঈদের পর থেকে আমি পরিশ্রম করে দুই উপজেলার মাঠ নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি,  (ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক)  যাঁরা ভোট সংগ্রহ করেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ্যর বাঁণী প্রচার করে ভোট ভিক্ষা চেয়ে এম, পি বানান। তাই ভোটের মাঠে তাদের গুরুত্ব বেশি। কথা বলে পরিস্কার বুঝেছি  তাঁরা ইসরাফিল আলমকেই নেতা মানেন।
তার বিপক্ষে কেউ কথা বলেন নি,  তাঁদের ভাষ্য যে যাই বলুক, যা ইচ্ছা করুন তাতে ক্ষতি নেই, নৌকাকে জিতাতে  হলে আত্রাই রাণীনগর ইসরাফিল আলমের বিকল্প নেই। মাঠ নেতারা আরও যৌক্তি উপস্থাপন করলেন, যাঁরা পোষ্টার দিচ্ছে নমিনেশন  ও চাইবেন তাদের কে ভালো করে চিনিনা , তারা আমাদের কাছে কোনদিন আসেনি। তাঁরা যা করছেন তা পর হিংসার সামিল।
 আত্রাই রাণীনগরের সভা সেমিনারে তাঁদের কে কোনদিন দেখিনি। ইসরাফিল আলম আমাদের নেতা, গুরু, তিনি আত্রাই রাণীনগরে শান্তির আলো জালিয়েছেন। আমরা ভালো আছি।  আত্রাই রাণীনগর এখন আধুনিক তার পিতা ইসরাফিল আলম, আমরা তাঁকেই ভোট দিতে চাই। আমাদের এলাকাতে খুণ খারাপি নেই, হত্যা চাঁদাবাজি নেই,  জে এম, বি, বিশেষ  বাহিনী নেই। তাঁরা সকল প্রকার ষড়যন্ত্র, রুখে তাদের প্রিয় নেতাকে ভোটে জিতাতে বদ্ধপরিকর। মাঠ নেতাদের দাবি  তাদের নেতার বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র করে লাভ হবেনা, আর যে, নাটক  তৈরি, করেছে সেই  নাটকের শেষদৃশ্য কি হবে তার জন্যই তাঁরা প্রস্তত। মনে রাখা  দরকার  আত্রাই রাণীনগরে মানুষের মন থেকে কোন কিছুতেই ইসরাফিল আলমকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।
/ In Uncategorized / By admin / Comments Off on আত্রাই রাণীনগর ইসরাফিল আলমের বিকল্প নেই।