বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক পেলেন সাংসদ ইসরাফিল আলম

আসনের সাংসদ ইসরাফিল আলম বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার-১৪২৩ পাওয়ায় তার নির্বাচনী এলাকা রাণীনগর-আত্রাই দুই উপজেলার আওয়ামী লীগ ও দলের নেতৃবৃন্দসহ সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষ অভিনন্দন জানিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার-১৪২৩ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে রৌপ্য পদক, সনদপত্র ও ৫০ হাজার টাকার চেক গ্রহণ করেন সাংসদ ইসরাফিল আলম। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ৩২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার-১৪২৩ প্রদান করেন। এরমধ্যে ৫ টি স্বর্ণ, ৯ টি রৌপ্য এবং ১৮ টি ব্রঞ্জ পদক প্রদান করা হয়। স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রঞ্জ পদক প্রাপ্তদের মাঝে পদকের সঙ্গে এক লাখ টাকা, ৫০ হাজার টাকা এবং ২৫ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। পুরস্কারের ক্যাটাগরিতে ক্রপ এগ্রিকালচার, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও বনায়ন অর্ন্তভূক্ত বলে জানান রাণীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এসএম গোলাম সারওয়ার ও সাংসদ ইসরাফিল আলমের ব্যক্তিগত সহকারী মাসুদ পারভেজ জানান।
এদিকে সাংসদ ইসরাফিল আলম বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার-১৪২৩ অর্জন করে রাণীনগর-আত্রাইবাসীকে গৌরবান্বিত করায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও দলের অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে বলে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল বারিক মোল্লা জানান।

/ In Uncategorized / By s2 / Comments Off on বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক পেলেন সাংসদ ইসরাফিল আলম

রাণীনগরে বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হলো এক হাজারের অধিক পরিবার।

মো: ওহেদুল ইসলাম মিলন, চিফ রিপোর্টার: “শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার কালীগ্রাম ইউনিয়নের করজগ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামে শতভাগ বিদ্যুৎ সংযোগ ও স্পটমিটারিং এর উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে কালীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও স্পটমিটারিং এর উদ্বোধন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে ওই এলাকায় এক হাজার ২২টি পরিবার বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়।

কালীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাবলু মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিদ্যুৎ ও স্পটমিটারিং এর উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির রাণীনগর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আসাদুজ্জামান, সহকারী জেলারেল ম্যানেজার সাইদী সবুজ খান, পাওয়ার ইউজ/কো-অডিনেটর মো: তবিবর রহমান,সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মো: হাসিবুল ইসলাম, এ ই সি মো: একরামুল হাসান, ওয়ারিং পরিদর্শক শাহিনুর ইসলাম, কালীগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো: আনিছুর রহমান, কালীগ্রাম ইউনিয়নের আ’লীগ সভাপতি আলহাজ্ব আজিজার রহমান,সাধারণ সম্পাদক মো: সাজাদুল হক মন্ডল, আবাদপুকুর অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ এস এম সেলিম আহম্মেদ প্রমূখ। এদিন নির্মিত লাইনে করজগ্রামসহ বিভিন্ন গ্রামে ৯১২টি ও উপস্থিত গ্রাহকের মধ্যে ১১০টি মোট ১ হাজার ২২টি নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়।

/ In Uncategorized / By admin / Comments Off on রাণীনগরে বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হলো এক হাজারের অধিক পরিবার।

জ্ঞান ও মেধা ভিত্তিক সমাজ গঠনে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন – ইসরাফিল আলম এম’পি

মো: ওহেদুল ইসলাম মিলন,রাণীনগর (নওগাঁ) : আত্রাই-রাণীনগর আসনের সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম বলেছেন,জ্ঞান সংগ্রহ করা এবং বিতরণ করা হচ্ছে একজন প্রকৃত শিক্ষকের কাজ। শিক্ষকরা হবে জ্ঞান তাপসি,বিনয়ের অবতার এবং ভদ্রতা ও সভ্যতার ধারক। এরাই এক সময় পুন্ডিত,শিক্ষক,মাস্টার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সমাজ কোন দিকে যাবে তা নির্ভর করে শিক্ষকদের উপর । সে কারণে জ্ঞান ও মেধা ভিত্তিক সমাজ গঠনে বর্তমান শেখ হাসিনার সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন । বিনা মূল্যে বই বিতরণ,শিক্ষা উপ-বৃত্তিচালুসহ নানা মূখী পদক্ষেপ নিয়েছেন সরকার । তিনি আরো বলেন, মাতা-পিতার পরেই শিক্ষার্থীদের নিকট শিক্ষকের স্থান। একজন ভাল শিক্ষার্থী শিক্ষকদের অনুকরণ করে চলে তাই শিক্ষকদের বেশি বেশি সর্তকবান হতে হবে।গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টায় রাণীনগর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় মাঠে শিক্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
রাণীনগর উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে অনুষ্ঠিত শিক্ষক সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন,রাণীনগর মহিলা (অর্নাস) কলেজের অধ্যক্ষ মিরাজুল ইসলাম। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নওগাঁ জেলার অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মোহাম্মদ শাহ-নেওয়াজ, এএসপি মতিয়ার রহমান,জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দীন,রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোনিয়া বিনতে তাবিব,উপজেলা পরিষদের ভাইস্ চেয়ারম্যান হারুনূর রশিদ,থানা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল বারিক মোল্লা,সাধারণ সম্পাদক মফিজ উদ্দীস,সদর ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান পিন্টু, কলেজের পক্ষে রাণীনগর মহিলা (অনার্স) কলেজের উপাধক্ষ্য চন্দন কুমার মহন্ত, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পক্ষে মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল গফুর, সকল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আল আমিন দাখিল মাদ্রসার ভারপ্রাপ্ত সুপার হারুনুর রশিদ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পক্ষে বড়িয়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সখিন উদ্দীন প্রমূখ ।

/ In Uncategorized / By admin / Comments Off on জ্ঞান ও মেধা ভিত্তিক সমাজ গঠনে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন – ইসরাফিল আলম এম’পি

রবীন্দ্রনাথের কৃষিব্যাংকের এই খাতাটির দাম বলেছিল ২৫ কোটি টাকা। এম, পি ইসরাফিল আলমের সততার একটি দৃষ্টান্ত।

এম মতিউর রহমান মামুন: বাঙালি হিসাবে নিজেকে ধন্য মনে করি এই জন্য যে, আমাদের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আর আত্রাইয়ের বাসিন্দা হিসাবে নিজকে ধন্য মনে করি এই কারণে যে আমাদের নির্বাচিত এম পি ইসরাফিল আলম।
সময় ২০০৯ সাল, রবীন্দ্রস্মৃতি উদ্ধার ও সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করছিলাম। আমার উদ্দেশ্য ছিল পঞ্চাশ দশকে জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির সময় পতিসর রবীন্দ্র কাচারী বাড়ি থেকে যে সমস্ত রবীন্দ্রস্মৃতি চিহ্ন হারিয়ে গিয়েছে তা পূনরায় উদ্ধার করে পতিসরে পূর্ণঙ্গ রবীন্দ্র মিউজিয়াম করা। বেস কিছু গুরুত্বপূর্ন  রবীন্দ্রস্মৃতি উদ্ধার করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরকে হস্তান্তর হল। তবে  নতুন এক অভিজ্ঞতার অর্জন করলাম  বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত ‘ পতিসর কৃষি সমবায় ব্যাংকের ‘ হিসাবের মহামূল্যবান লেজার টি উদ্ধার উদ্ধার করার পর।
লেজার টি নিয়ে আমরা গবেষণা করছিলাম কারণ এমন লেজার দুই রাংলার কোথায় নেই। পতিসর  কৃষিব্যাংকের  তথ্যাদি শুধু  গবেষকদের কলমেই ছিল, বাস্তব এ ধরণের কোন খাতা-পত্র ছিলনা।  গবেষণা পর যখন বুঝতে পারলেন এটা রবীন্দ্রনাথের কৃষিব্যাংকের  হিসাবের খাতা তখন বগুড়ার সিনিয়র রিপোটার হাসিবুর রহমান বিলু ডেইলী ষ্টার পত্রিকায় ৫. ৩. ২০০৯ তারিখে ‘টেগোর কৃষিব্যাংক ডোসিয়ার ফাউন্ড ইন নওগাঁ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।
তাতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের  কৃষিব্যাংকের দীর্ঘ ২৫ বছরের  যাবতীয় তথ্যাদি তুলে ধরেন। খাতাটির প্রতিটা পৃষ্টায় সিংহের হাতে আরহি ভোলানাথের মনোগ্রামের জলছাপ বসানো আছে। ম্যানেজার রেবতী কান্ত ভৌমিক স্বাক্ষরিত লেজারটির  খবরট বিশ্ব মিডিয়াতে প্রকাশের পর বেশ বড় ঝামেলাতে আমাকে পরতে হল। দেশের বাইরের (লন্ডনের)  একটি চক্র তা পেতে মরিয়া হয়ে উঠে। যে কোন মূল্যে তারা তা পেতে চায়। ফোনের পর ফোন আসতে থাকে।  ইংরেজী এবং বাংলা দু’টি ভাষাতেই  তারা আমার সংগে কথা বলে। ” কি চান আপনি? কত টাকা নিবেন,  ৪/৫ কোটি দিলে হবে?  না হলে আরও দিতে পারি’ এমন আরও অনেক অফার। আমি বিচলিত!   তারা লেজার টা ছিনিয়ে নেয় কি না তা নিয়ে চিন্তিত ছিলাম। বিষয় টা নিয়ে আমি কথা বলি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্তাদের সংগে। ফোনালাপ করলাম নব নির্বাচিত এম, পি মো ইসরাফিল আলম সাহেবের সঙ্গে। তাঁর পরামর্শ ক্রমেই রিজার্ভ গাড়িতে খাতা সহ আমি ন্যায়েম ভবনে তাঁর বাসাতে যাই।
রাত  নয়’টায় লন্ডন থেকে  আবার ফোন আসে,  আমি কথা না বলে ইসরাফিল ভাইকে কথা বলতে অনুরোধ করি। তিনি তাদের সঙ্গে অনেক সময় কথা বলেন, ঐ একই কথা ” কত টাকা চান?  আপনার চাহিদা মত টাকা দিতে পারি, আপনি মামুনকে রাজী করাবেন” প্রতি উত্তরে ইসরাফিল আলম এম, পি বলেছিলেন ‘ রবীন্দ্রনাথের কৃষিব্যাংকের লেজার আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ওটা দেশে থাকবে, অর্থের জন্য রাষ্ট্রীয় সম্পদ আমি বিকিয়ে দিতে পারিনা , কবিগুরু তাঁর জীবনের শ্রেষ্ট অর্জন দিয়ে পতিসরে কৃষি সমবায় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে গরীব চাষি প্রজাদের সহজ সর্তে ঋণ প্রদান করে দাসত্বগোলামির জিঞ্জির থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন।
একজন বাঙালি হিসাবে তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণ করা আমাদের দ্বায়িত্ব।  তার পর আমি মামুনকে যতটা জানি ও রবীন্দ্র ভক্ত, ওর গবেষণার কর্ষ্টাজিত সম্পদ আপনাদের কে দিবেনা,  দিলে অনেক আগেই দিতে পারতো। তাছাড়া এম, পি হিসাবে আমার দেশের সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব আমার কাধে’। ওরা যে কোন মূল্যে লেজার টা নেওয়ার জন্য মরিয়া ছিল।  রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠিত কৃষিব্যাংকের ওই খাতাটার মূল্য, গুরুত্ব কাঁরা বুঝতে পেরেছিল তাই যে কোন মূল্যে কেনার চেষ্টা করেছে, আমরা হয়তো তার কদর আজও জানিনি, বুঝিনা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারী পরিচালনার কাজে এসে পতিসরের প্রজা সাধারণের কষ্ট, দুঃখ, যন্ত্রনা ও অসহায়  গ্রমীণ মানুষের  বেঁচে থাকার প্রকৃিত রুপ অবলোকন করে তাদের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে দাসত্ব গোলামীর জিঞ্জির থেকে রক্ষা করতে পতিসরে (১৯০৫) সালে ধারদেনা করে পতিসরে কৃষি ব্যাংক করেছিলেন।
পরে ১৯১৩ সালে নবেল প্রপ্তির পর  (১৯১৪)নবেল প্রপ্তির সমুদয় অর্থ পতিসর  কৃষি ব্যাংকে জমা করে কৃষককে সহজ সর্তে ঋণ প্রদান করেন। উদ্দেশ্য ছিল কৃষি নির্ভশীল অর্থনীতিতে কৃষককে  স্বাবলম্বী করা। তাতে কৃষক মহাজনের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে এবং কৃষক অর্থনিতীতে স্বনির্ভর হলে শিক্ষায় এগিয়ে শিক্ষিত হয়ে আধুনিক স্বনির্ভর সমাজ গঠন করতে পারবে, এবং স্বাস্থের উন্নতি সম্ভব হবে। অথ্যাৎ অর্থ বৃত্তের সঙ্গে শিক্ষার যোগসুত্র বোধ করেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পতিসরে কৃষিব্যাংক স্থাপন করেছিলেন। সে দিক থেকে বিবেচনা করে হলেও লেজার টা সংরক্ষণ  আমার কর্তব্যেই ছিল। দেশকে বঞ্চিত করে অর্থের লোভে এ সম্পদ আমি বিক্রি করতে চাইনি এটা বুঝবে কে? তাই এই মহামূল্যবান সম্পদটি যথাযথ সরকারকে দিয়ে দায়মুক্ত হয়েছি। এখন এই সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবহার করতে সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী। দুঃখের বিষয় আমাদে দেশ রবন্দ্রনাথের স্মৃতি সংরক্ষণের তেমন কোন গুরুত্ব নেই,  নেই সংগ্রাহকের গুরুত্ব। কিন্তু এটা যদি পাশ্ববর্তি রাষ্ট্র ভারতে হত তাহলে এর গুরুত্ব বুঝা যেত  এবং  রবীন্দ্রস্মৃতি সংগ্রাহের  যথাযথ মূল্যাযন করা হত। লেখক রবীন্দ্রস্মৃতি সংগ্রাহক ও গবেষক
/ In Uncategorized / By admin / Comments Off on রবীন্দ্রনাথের কৃষিব্যাংকের এই খাতাটির দাম বলেছিল ২৫ কোটি টাকা। এম, পি ইসরাফিল আলমের সততার একটি দৃষ্টান্ত।

আত্রাই রাণীনগর ইসরাফিল আলমের বিকল্প নেই।

এম মতিউর রহমান মামুনঃ নবাবের মৃত্যুর পর ইংরেজ’রা যখন বুঝলেন বাঙালির মন থেকে  নবার প্রীতি মুছে যায়নি। ইংরেজরা তখন একজন বাঙালি লেখককে ডেকে বললেন নবাবের বিরুদ্ধে মিথ্য গল্প তৈরী করো। আর গল্পটা  লিখবে, নবাব অত্যাচারী ছিল,  মানুষের যুবতী মেয়ে ধরে এসে ধর্ষণ করতো। মেয়ে যদি গর্ভবতী হয় নবাব পেটে লাথি মারতো  এমন আরও কিছু। লেখক যথারীতি গল্পও লিখলেন। তাতেও যখন তেমন কিছু পরিবর্তন হলনা ইংরেজরা লেখককে বললেন এবার নাটক তৈরী করো এবং মঞ্চে বাস্তব  দেখাও নবাব কিভাবে যুবতী মেয়ে কে ধর্ষণ করতো। তুমি নিজে দর্শকের গ্যালারিতে বসে শুনবে দর্শক কি বলে। নাটক মঞ্চায়ণ শুরু হল লেখক দর্শক সারিতে বসে নাটক উপভোগ করছে। সত্যি সত্যিই যখন উন্মুক্ত  মঞ্চের উপর ধর্ষণ দেখাতে লাগলো সাধারণ দর্শক মিথ্যাকে সহ্য করতে না পেরে আবেগে ফেঁটে পরে । পাশে বসে লেখক জানতে চাইলেই আমার লেখা নাটকটি আপনাদের কেমন লাগছে? সঙ্গে সঙ্গে নবাবের নামে মিথ্যা নাটকের রচয়িতাকে জুঁতোপেটা করলেন। ইংরেজদের  বুঝতে বাঁকি রইলনা  বাংলার মানুষের মন থেকে নবাব কে মুছে দেওয়া সম্ভব নয়।
গল্পটা বলার কারণ আত্রাই রাণীনগরে রবীন্দ্রনুরাগী, শিক্ষাবিদ গুণী পারলামেন্ট ইসরাফিল আলমের বিপক্ষে একটি মহল বেশ কষ্ট করে মিথ্যা গল্প তৈরী করলেন, তাতে খুব বেশি ক্ষতি করতে না পেরে গল্প থেকে  নাটক তৈরী করলেন ক’দিন আগে নাটকের মহড়াও করলেন,  এবার মঞ্চায়ণের পালা। দর্শক সাঁরিতে বসে অভিনয় দেখবেন আত্রাই রাণীনগরে একশত চুয়াল্লিশ ওয়ার্ডের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক, ষোল ইউনিয়ন ও দুই উপজেলার আওয়ামী লীগের ত্যাগী, নেতাকর্মি ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সাধারণ কিছু কর্মি। ফলাফল দিবেন সাধারণ মানুষ যাঁরা নকশাল, সর্বহারা, জে, এম,বির বহুমাত্রিক নির্যানতের শীকার হয়ে কেবল শান্তিতে ঘুমাচ্ছেন। ক’দিন আগে রাণীনগরে পুকুর দখলকে কেন্দ্র করে যুবলীগ নেতা খুনে হওয়ার পর জানাজা নামাজ নিয়ে  যে ষড়যন্ত্রের সৃষ্টি হয়েছিল নওগাঁ পুলিশের বুদ্ধিমত্তায় বড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেলেন আত্রাই রাণীনগর বাসী। ষড়যন্ত্রের উৎপত্তি  স্থল ঢাকা থেকে নওগাঁ হয়ে প্রয়োগ ক্ষেত্র রাণীনগর বলছিলেন আওয়ামী লীগের বুদ্ধিজিবী কিছু নেতা, আমি তাঁদের কথা গুরুত্ব দি না এই কারণে তাঁরা যদি কিছু অনুমান করতে পেরেই থাকেন তো পুলিশ জানালেন না কেন? তাঁরা না কি তাঁদের প্রিয় নেতা ইসরাফিল আলমকে বার বার বলার চেষ্টা করেছেন কিন্তু  ব্যর্থ হয়েছেন।
ইসরাফিল আলম এম, পি বলেছেন তাঁকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে তা হবে দুঃখ জনক, নিন্দনীয় তো বটেই। কেননা ইতপূর্বে বেশকিছু নেতা রাজনৈতিক লালসার বলি হয়েছে বিধায় বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্ষতিয়ে দেখা দরকার।  মাঠ নেতাকর্মিরা  বিষয়টির প্রতিবাদ মিছিল করতে চেয়েছিলেন কিন্তু এম পি ইসরাফিল আলম তা করতে নিষেধ করেছেন তার জন্য তিনি ধন্যবাদ পাবার যোগ্য। ঈদের পর থেকে আমি পরিশ্রম করে দুই উপজেলার মাঠ নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি,  (ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক)  যাঁরা ভোট সংগ্রহ করেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ্যর বাঁণী প্রচার করে ভোট ভিক্ষা চেয়ে এম, পি বানান। তাই ভোটের মাঠে তাদের গুরুত্ব বেশি। কথা বলে পরিস্কার বুঝেছি  তাঁরা ইসরাফিল আলমকেই নেতা মানেন।
তার বিপক্ষে কেউ কথা বলেন নি,  তাঁদের ভাষ্য যে যাই বলুক, যা ইচ্ছা করুন তাতে ক্ষতি নেই, নৌকাকে জিতাতে  হলে আত্রাই রাণীনগর ইসরাফিল আলমের বিকল্প নেই। মাঠ নেতারা আরও যৌক্তি উপস্থাপন করলেন, যাঁরা পোষ্টার দিচ্ছে নমিনেশন  ও চাইবেন তাদের কে ভালো করে চিনিনা , তারা আমাদের কাছে কোনদিন আসেনি। তাঁরা যা করছেন তা পর হিংসার সামিল।
 আত্রাই রাণীনগরের সভা সেমিনারে তাঁদের কে কোনদিন দেখিনি। ইসরাফিল আলম আমাদের নেতা, গুরু, তিনি আত্রাই রাণীনগরে শান্তির আলো জালিয়েছেন। আমরা ভালো আছি।  আত্রাই রাণীনগর এখন আধুনিক তার পিতা ইসরাফিল আলম, আমরা তাঁকেই ভোট দিতে চাই। আমাদের এলাকাতে খুণ খারাপি নেই, হত্যা চাঁদাবাজি নেই,  জে এম, বি, বিশেষ  বাহিনী নেই। তাঁরা সকল প্রকার ষড়যন্ত্র, রুখে তাদের প্রিয় নেতাকে ভোটে জিতাতে বদ্ধপরিকর। মাঠ নেতাদের দাবি  তাদের নেতার বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র করে লাভ হবেনা, আর যে, নাটক  তৈরি, করেছে সেই  নাটকের শেষদৃশ্য কি হবে তার জন্যই তাঁরা প্রস্তত। মনে রাখা  দরকার  আত্রাই রাণীনগরে মানুষের মন থেকে কোন কিছুতেই ইসরাফিল আলমকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।
/ In Uncategorized / By admin / Comments Off on আত্রাই রাণীনগর ইসরাফিল আলমের বিকল্প নেই।

‘আত্রাই রাণীনগরের বর্তমান রাজনীতিতে ইসরাফিল আলম শেষ ভরসা।

মতিউর রহমান মামুনঃ  অনেক দিন আগে একটা সাহিত্য সাময়িকীতে পড়েছিলাম, রবীন্দ্র বিরোধী একটা চক্র বেছে বেছে রবীন্দ্রনাথের কাঁচা বয়সের কিছু লেখা তুলে এনে তা নিয়ে সমালোচনা করে বাংলা সাহিত্যে বিক্ষুব্ধ করেছিলেন। প্রতিত্তোরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন “চলতি ঘোড়ার আকাশের দিকে তোলা দু’পায়ের ছবি থেকে অনুমান করা যায়না তার পা দুটো চিরকাল আকাশেই তোলা ছিল। এরুপ ছবি কেবল আর্টিস্টের তুলিতেই শোভাপায়।
সমালোচনা আরও বৃদ্ধি পেল, এক সময় তা ভারতবর্ষের বাইরেও ছড়িয়ে পরে। তাতে ইউরোপ, আমেরিকাতে রবীন্দ্রনাথের পাঠকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেল, কারণ তাঁদের জিজ্ঞাসা ছিল বাঙালি যুবক রবীন্দ্রনাথের লেখায় কি আছে? কেন তাঁকে নিয়ে ভারতে এত সমালোচনা হচ্ছে? শেষ পর্যন্ত রবীন্দ্রাথ নবেল পেলেন। গল্পটা বলার কারণ বেস কিছুদিন ধরে আত্রাই রাণীনগরের এম.পি ইসরাফিল আলমকে নিয়ে দিবাস্বপ্ন বিলাসী একটা চক্র সত্য মিথ্যা, কাল্পনিক, বানোয়াট, কিছু গল্প বানিয়ে তাদের দলের উচ্চ পদস্থ নেতার কান ভারি করে, ফায়দা লুটানোর ব্যর্থ প্রচেষ্টা করছেন। শুধু তাই নয় যত্র- তত্র সমালোচনাও করছেন। তাদের উদ্দেশ্য ইসরাফিল আলম যেন, নৌকা মার্কার কার্ড না পান, আর আত্রাই রাণীনগর আবার বিএনপি’র হাতে চলে যায়। কারণ তাদের বেশ ভালো করেই জানা আছে ইসরাফিল আলম ব্যাতিত অন্য কেউ নৌকা প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হতে পারা বরই কঠিন, এবং এ ধরণের নেতার জন্যে অপেক্ষা করতে হবে অনেক দিন। তাদের বুঝতে হবে সমালোচনাতে তারা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। তারা কেন বুঝতে পারছেন না তাদের মতো দু’ পাঁচ জন মানুষের জন্য আওয়ামী লীগের মতো শক্তিশালী সংগঠনের কোন ক্ষতি হবার সম্ভবনা নেই।
বরং তারা যা করছেন তা আত্মঘাতি এবং ফায়দা লুটবে বিএনপি। কারণ বিএনপি বলতে শুরু করছে আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা নাকী রাজাকার পুত্র? যদি এ অপবাদ মিথ্যা হয়ে থাকে তাহলে আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগ তার প্রতিবাদ কেন করছেনা? আর যদি তা হয়ে থাকে তাহলে তাকে বহিস্কারই বা করছেনা কেন? তারা প্রমান পত্র সহকারে এলাকাতে রীতিমত লিফলেট বিতরণ করেছে তার জবাটা কি হবে? আওয়ামী লীগের নিরব ভুমিকার মানেটা কি দ্বাড়ালো তা বোঝার বিষয়।
আজ যারা নিজ দলের এমপি’র বিরুদ্ধে মূখরোচক সমালোচনাতে মেতে উঠেছেন তারা কি ক’বছর আগের আত্রাই রাণীনগরের অতীত ইতিহাস ভুলে গেছেন? ধরে নিলাম স্বার্থের নেশায় ভুলে গেছেন কিন্তু সাধারণ মানুষ কি তা এত তারাতারি ভুলে গেছেন? আপনাদের তো ভুলে গেলে চলবেনা স্বাধীনতা পরর্বতী আত্রাই -রাণীনগরের কোন পেশার, কোন অংশের বা কোন গোষ্ঠির মানুষ কি ভালো বা সুখে ছিলো?
এক সময় ছিলো রাত পোহালেই শুনতে পেয়েছি রক্তেভেজা কান্না, বঞ্চিতের আত্মবিলাপ, খবরের কাগজের শিরোনাম ছিল খুন, আবারও খুন, ছয় ছয় জনকে গলা কেটে হত্যা, নারী ধর্ষণ, নিরব চাঁদাবাজি এমন হাজার খবর। সময় টা ছিল ২০০২ সালের মে মাস, আমরা রবীন্দ্র জন্মবাষিকী পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, হঠাৎ শুনতে পেলাম নৈদিঘী গ্রামে একরাতে ছয় জনকে গোলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো আত্রাই রাণীনগর নারকীয় তান্ডব। একদিকে স্বজন হারানো মানুষের আকুতি অপর দিকে নিরীহ মানুষকে গণগ্রেফতার, শুরু হল নীরব চাঁদাবাজি। আমাদের দাবী ছিল বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে দায়ীদের গ্রেফতার করা। কিন্তু তা আর হলনা বরং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মি গ্রেফতার বেশি হল। তার চেয়ে বড় কষ্টের কথা গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজী। কিন্তু তৎকালীন ক্ষমতাসিন দলের নির্বাচিত এমপি ইচ্ছা করলেই অনেক কিছুর হাত থেকেই আত্রাই রাণীনগরকে মুক্ত করতে পারতেন। কিন্তু তা আর হলনা শুরু হল একটি ঘটনা কে কেন্দ্র করে আরেকটি ঘটনা অশান্ত হল আত্রাই রাণীনগর, ফায়দা লুটলেন ক্ষমতাসিন দলের নেতারা। গোলামীর জিঞ্জিরে অাবদ্ধ সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল অর্থনৈতীক মুক্তি, চলাফেরার অবাধ স্বাধীনতা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যও কথা বলার আধিকার। আমাদের বিশ্বাস ছিলনা আত্রাই রাণীনগের মানুষ কোনদিন এ অবস্থা থেকে মুক্তি পাবে!
২০০৮ এর নির্বচনের ক্ষমতার পালাবদলের পর ইসরাফিল আলম এমপি সাহেবের উপর মানুষ সম্পূর্ণ নির্ভর হয়ে পরে, কেননা মানুষের প্রয়োজন মুক্তি, এলাকার প্রয়োজন ব্যাপক উন্নয়ন আর আওয়ামী লীগের প্রেয়োজন ছিল সাংগঠনিক ভাবে নকশাল ও জেএমবি মুক্ত আত্রাই রানীনগর গঠণ করা। কেননা ইতপূর্ব তাদের দলের লালু, অরুণ, রাজা সহ প্রায় ২৪ জন নেতা কে হত্যা এবং তৎকালিন প্রচার সম্পাদক বাদল সহ শতাধিক নোতাকর্মিকে চিরতরে পঙ্গু করা হয়েছে। তাছাড়া হাজার হাজার পরিরাবের ঘড়বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
গণমানুষের নেতা হিসাবে ইসরাফিল আলম ঝুঁকি নিয়ে বুদ্ধিমত্তার ও বিচক্ষণতার সহিত সাধারণের মুক্তি এনে দিয়েছেন। সর্বহারা, জেএবি’র হাত থেকে মানুষ অনেকটা মুক্ত। হত্যা, চাঁদাবাজী, লুটপাট, নির্যাতনের কবল থেকে মানুষ মুক্ত, আত্রাই রাণীনগরের মানুষ মৌলিক আধিকার ফিরে পেয়েছে। স্বাধীনতার পরর্বতী অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে পড়া আত্রাই রাণীনগরকে এগিয়ে নেওয়ার একটা বড় চ্যালেঞ্জকে অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছেন জননেতা ইসরাফিল আলম।
ক্ষুধামুক্ত সমাজ গঠন, দারিদ্রতা, অশিক্ষা, কুসংস্কার, রাস্তা ঘাট, বিদ্যুৎ, নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী, একাডেমীম ভবন নির্মাণ, পাকা রাস্তা তৈরী, ছোট বড় ব্রিজ নির্মাণ, কৃষি খামার তৈরী ও উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে তিনি অসাম্য অবদান রেখে মধ্যে যুগের আত্রাই রাণীনগরকে একুশ শতকের আধুনিক আত্রাই রাণীনগরে পরিনত করতে সক্ষম হয়েছেন। এসব যুগান্তকরী কাজে নিজকে নিয়োজিত করতে গিয়ে নিজ দলের নেতাকর্মিদের ছোট একটা অংশের সঙ্গে তার মতভেদ দেখা গিয়েছে, তারা চেয়েছিলেন তাদের স্বার্থকে প্রতিষ্ঠিত আর সংসদ সদস্য ব্যক্তি স্বার্থের বাইরে এসে পিছিয়ে পরা আত্রাই রাণীনগরকে এগিয়ে নেওয়ার কাজটা তরান্বিত করেছেন। আত্রাই রাণীনগরের অতিত ইতিহাস পর্যালোচনা করে তাঁর এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া কোন পথ খোলা বলে মনে হয়না। এছাড়া ও মাদক,জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস, খাদ্যে ভেজাল, যৌতুক ও বাল্য বিবাহ ইত্যাদি প্রতিরোধে ইসরাফিল আলম এমপি নিরলস প্রচেষ্টা করে চলেছেন। এ কাজ গুলো করতে গিয়ে অনেক কাছের মানুষকে তিনি ছেড়ে কথা বলেন নি, ফলে তাঁর উপর বিরাগভাজন হয়েছেন। কিছু সেবামুলক প্রতিষ্ঠান করতে গিয়েও তিনি এক শ্রেনীর অশুভদের চক্ষুশুল হয়েছেন।
ইসরাফিল আলম আইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- নর্থ বেঙ্গল স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট রানীনগর, নর্থ বেঙ্গল হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট আত্রাই, ওয়েব অ্যাপ বিডি লিমিটেড রানীনগর, ইসরাফিল আলম আইটি অ্যান্ড পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট আবাদপুকুর, মাদার কেয়ার স্কুল রাণীনগর। কাসিমপুর কৃষি খামার প্রতিষ্ঠা করে কৃষককে মৌলিক প্রশিক্ষণ প্রদান, এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে একশ্রেনীর অসাধুদের স্বার্থ জড়িত ছিল। এর বাইরেও পতিসরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ কৃষি প্রযুক্তি ইনষ্টিটিউট ও আজিজুর রহমান মেমোরিয়াল স্কুল স্থাপন করে প্রসংশিত হয়েছেন। আমরা যারা ব্যাক্তি সার্থের মধ্যে সিমাবদ্ধ থেকে ইসরাফিল আলমের সমালোচলা করছি তাদের ভেবে দেখা দরকার তাদের নেতা সংঙ্কীর্নতার গন্ডি পেরিয়ে আন্তজাতিক বিশ্বে প্রসংশিত হয়েছেন যা, আমাদের জন্য আনন্দের ও গর্বের।
ভেবে দেখা দরকার তাঁর কাজ কর্ম, আচার- বিচার, জনসাধারণের চাওয়া পাওয়ার প্রতিফলনের সৃষ্টি এবং ক্রমন্বয়ে সজিবেতর হয়েই উঠছে। তাঁর মহান কর্মজজ্ঞ বাতাশেই ভেসে থাকবে হাজার বছর ধরে হয়তো তার ও পরে কিন্তু মাটিতে আছড়ে পরবেনা। তাঁর অকল্পনীয় অমর কিছু সৃষ্টি অশান্ত আত্রাই রাণীনগরের মানুষের কাছে স্বর্গ ছোঁয়ার মত। এই তাঁর অমরতা এই তার সৃষ্টিকর্মের অপূর্ব ডায়ালেটিকস।
আমি আত্রাই রানীনগরের অতিতে ফিরে যেতে চাই, আত্রাই রেল ষ্ট্রোশন, আহসান উল্লা মেমরিয়াল স্কুল, মোল্লা আজাদ মেমরিয়াল কলেজ, আত্রাই পোষ্ট অফিস হাসপাতাল আত্রাইয়ের মোল্লা পরিরারের সৃষ্ট ফসল। মোসলেম মোল্লার পর ৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট থেকে ঐ পরিবারের কৃতি সন্তান মোল্লা আবুল কালাম আজাদ এম, এল, এ নির্বাচিত হয়ে গণমানুষের কাজ নিজকে নিয়োজিত করেন। যতটা জানা গেছে তার সময এই অঞ্চলে কৃষিতে মহামারি দেখা দিয়েছিল, তার উপর কৃষকদের উপর তৎকালীন সরকার নেবি, (উদপাদিত ফসলের উপর কর) নির্ধারণ করা হয়েছিল। মোল্লা আজাদ চিটা যুক্ত মরা ধান গাছের আঁটি হাতে প্রতিবাদ করে বলেছিলেন ‘ আমার কৃষক কর দিতে পারবেনা’ পরে কর মওকুফ করা হয়েছিল। আতছো এই মহান নেতাই (৬৮ সালে) প্রথম আত্রাইয়ের রাজনৈতিক হত্যার শীকার হন। এবং তারপর মোল্লা পরিবার রাজনৈতিক ভাবে অনেকটা ম্লান হয়ে যায়। এর পর আত্রাই রাণীনগরের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচিত প্রথম এম, পি মোহম্মদ বাযতুল্লাহ। তিনি আইনজীবি, রাজনীতিবিদ। ১৯২৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি নওগাঁর শালেবাদ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ ১৯৪৩ সালে পাহাড়পুর উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৪৫ সালে রাজশাহী গভর্নমেন্ট কলেজ থেকে আই.এ এবং ১৯৪৭ সালে একই কলেজ থেকে বি.এ পাশ করেন। ১৯৪৯ সালে তিনি ঢাকা বিশববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম.এ এবং ১৯৫৩ সালে একই বিশববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন।
১৯৫২-৫৩ সালে কীর্ত্তিপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ১৯৫৩-৫৪ সালে চক-আতিকা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। এরপর তিনবছর নওগাঁ বশিরউদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপনা করেন। ১৯৫৭ সালে তিনি নওগাঁ মহকুমা আদালতে আইনব্যবসা শুরু করেন।
মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ ছাত্রজীবনেই রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৪৮ সালে ভাষা আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ে আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং সেই সময়ই বঙ্গবন্ধুর একান্ত ঘনিষ্ঠতা অর্জন করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি নওগাঁ মহকুমা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বাঙালিপুর (মোহতীপুর) যুব ক্যাম্পের ক্যাম্পপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১২ নভেম্বর তিনি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। এই ময়য় টা আত্রাই রাণীনগর, বাগমারা ও পাশ্ববর্তি অঞ্চল নকশাল পন্থিদের নিয়ন্ত্রিত ছিল।
পরে১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হয়ে পূনরায় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। এরং ঐ বছরের এপ্রিল মাসে তিনি বঙ্গবন্ধু কে এলাকার নকশাল নেতাদের গ্রেফতারের অনুরোধ করেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর অনুরোধে এ অঞ্চলের নকশাল নেতা ভাষা মতিন, আলমগীর কবির গংদের গ্রেফতার করে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। অতছো মুক্তি যুদ্ধ চলা কালিন ঐ নকশাল নোতারাই আত্রাই সোনালী ব্যাংক ডাকাতি, লুটপাট করেছিল, সেই অর্থগুলো কোথায় তা জিজ্ঞাসা থেকে যায়? তাঁরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মহাত্মা গান্ধীর পদচারিত আত্রাইয়ের এম, পি মন্ত্রীও হয়েছেন কিন্তু তাঁদের মহান আঁদশ্যর প্রতি কতটা সন্মান দেখিয়েছেন তা আমাদের জানা। যাহোক বায়তুল্লাহ ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ-সদস্য (বদলগাছী মহাদেবপুর) নির্বাচিত হন। ১৯৮৭ সালের ৯ মার্চ তাঁর মৃত্যুর পর ইসরাফিল আলম আত্রাই রাণীনগরে তাঁদের অসমাপ্ত কাজ ও আদশ্যের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে আধুনিক আত্রাই রাণীনগর গড়ণের কাজে নিজকে নিয়োজিত রেখেছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই।
/ In Uncategorized / By admin / Comments Off on ‘আত্রাই রাণীনগরের বর্তমান রাজনীতিতে ইসরাফিল আলম শেষ ভরসা।